ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ ও কারণ - ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে ঘরোয়া উপায়
আরো পড়ুনঃ নাক ডাকার কারণ ও লক্ষণ এবং নাক ডাকা প্রতিরোধে ঘরোয়া উপায়
ডায়াবেটিস সাধারণত গ্লুকোজ বা শর্করার জনিত কারণে হয়ে থাকে, এটি বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অন্যতম স্বাস্থ্য সমস্যা। তাছাড়া, এটি শরীরের ইনস্যুলিনের উৎপাদন বা কার্যকারীতার সমস্যার কারণেও হয়ে থাকে।
ডায়াবেটিসে আক্রান্তের কারণে রক্তে গ্লুকোজ বা শর্করা বেশি হয়ে হয়, যা সময়ের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে, এতে হতে পারে ক্ষতির কারণ। ডায়াবেটিস প্রধান দুই প্রকারের, যেমন টাইপ-১, এবং টাইপ- ২ ডায়াবেটিস।
শিশুদের মধ্যে সাধারণত টাইপ- ১ ডায়াবেটিস বেশিরভাগ দেখা যায়, এবং এ্তে অক্ষম হয়ে পড়ে ইনস্যুলিন উৎপাদনে। অপরদিকে টাইপ- ২ ডায়াবেটিস দেখা দেয় বড়দের মধ্যে, যার কারণে ইনিস্যুলিন উৎপাদন যেমন কমে যায়, তেমনি সঠিকভাবে শরীর ইনস্যুলিন ব্যবহার করতে পারে না।
ডায়াবেটিস আক্রন্তের বেশ কিছু লক্ষণ এবং কারণ রয়েছে। তাছাড়া, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ কিছু ঘরোয়া উপায়ও রয়েছে। আর আজকের আর্টিকেলে আমরা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করবো, ডায়াবেটিসের এই সকল বিষয় সম্পর্কে। চলুন তাহলে দেখি-
শিশুদের মধ্যে সাধারণত টাইপ- ১ ডায়াবেটিস বেশিরভাগ দেখা যায়, এবং এ্তে অক্ষম হয়ে পড়ে ইনস্যুলিন উৎপাদনে। অপরদিকে টাইপ- ২ ডায়াবেটিস দেখা দেয় বড়দের মধ্যে, যার কারণে ইনিস্যুলিন উৎপাদন যেমন কমে যায়, তেমনি সঠিকভাবে শরীর ইনস্যুলিন ব্যবহার করতে পারে না।
ডায়াবেটিস আক্রন্তের বেশ কিছু লক্ষণ এবং কারণ রয়েছে। তাছাড়া, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ কিছু ঘরোয়া উপায়ও রয়েছে। আর আজকের আর্টিকেলে আমরা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করবো, ডায়াবেটিসের এই সকল বিষয় সম্পর্কে। চলুন তাহলে দেখি-
ডায়াবেটসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ
ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো সাধারনত অতি আস্তে আস্তে উন্নতি হতে পারে। তবে, যদি কোন ব্যক্তির মধ্যে ডায়াবেটিসের লক্ষণ অনুভূত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরী হয়ে পড়ে। আর যে সকল লক্ষণ দেখা দিলে, ডায়াবেটিস রোগে আক্রন্ত হয়েছে বলে মনে করা করা, তা হলো-
** ওজন কমে যাওয়া- আপনার শরীর যদি প্রয়োজনীয় ইনস্যুলিন উৎপাদন করতে না পারে, তবে শর্করা ব্যবহার করতে পারেনা শরীর এবং অন্য শক্তির উৎস হিসাবে শরীরে চর্বি এবং পেশী ব্যবহার করতে শুরু করে, ফলে ওজন কমে যায়।
** পানি পিপাসা বেড়ে যায়- ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে যদি শর্করা বেশি থেকে, তাহলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি শোষণ করে। ফলে অতিরিক্ত পানির পিপাসা লাগে এবং পানি খাওয়ার পরও পানির পিপাসা মেটেনা।
** চর্মের বিভিন্ন সমস্যা- ডায়াবেটিস রোগিদের চর্মের বিভিন্ন ইনফেকশন সহজে ভালো হয় না এবং তাই সময়মত খত বা দাগ সারতে চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
** পেশাবের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া- রক্তে অতিরিক্ত শর্করা থাকার কারণে, তা পেশাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। ফলে ঘন ঘন পেশাবের বেগ পায়।
** অতিরিক্ত ক্ষুধালাগা- পর্যাপ্ত ইনস্যুলিন শরীরে না থাকায়, শরীরের কোষে শর্করা পৌছায় না, ফলে শরীরের শক্তি যোগাতে খিদে লাগে।
** দৃষ্টিশক্তির সমস্যা- শর্করার স্তর অধিক হওয়ার কারণে, পানি জমে যেতে পারে চোখের লেন্সে, ফলে চোখের দৃষ্টি ঝাপসা ও ধোয়াটে হয়।
** শরীরের শক্তি কমে যায়- শরীরের কোষে প্রয়োজনীয় শক্তির শর্করা পৌছায় না, ফলে ক্লান্তি ও শক্তির অভাব দেখা দেয়।
** ফোসকা বা স্বাভাবিক ঘা- ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে ফোসকা বা স্বাভাবিক ঘা ভালো করা কঠিন হয় যায়।
** ওজন কমে যাওয়া- আপনার শরীর যদি প্রয়োজনীয় ইনস্যুলিন উৎপাদন করতে না পারে, তবে শর্করা ব্যবহার করতে পারেনা শরীর এবং অন্য শক্তির উৎস হিসাবে শরীরে চর্বি এবং পেশী ব্যবহার করতে শুরু করে, ফলে ওজন কমে যায়।
** পানি পিপাসা বেড়ে যায়- ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে যদি শর্করা বেশি থেকে, তাহলে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি শোষণ করে। ফলে অতিরিক্ত পানির পিপাসা লাগে এবং পানি খাওয়ার পরও পানির পিপাসা মেটেনা।
** চর্মের বিভিন্ন সমস্যা- ডায়াবেটিস রোগিদের চর্মের বিভিন্ন ইনফেকশন সহজে ভালো হয় না এবং তাই সময়মত খত বা দাগ সারতে চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
** পেশাবের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া- রক্তে অতিরিক্ত শর্করা থাকার কারণে, তা পেশাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। ফলে ঘন ঘন পেশাবের বেগ পায়।
** অতিরিক্ত ক্ষুধালাগা- পর্যাপ্ত ইনস্যুলিন শরীরে না থাকায়, শরীরের কোষে শর্করা পৌছায় না, ফলে শরীরের শক্তি যোগাতে খিদে লাগে।
** দৃষ্টিশক্তির সমস্যা- শর্করার স্তর অধিক হওয়ার কারণে, পানি জমে যেতে পারে চোখের লেন্সে, ফলে চোখের দৃষ্টি ঝাপসা ও ধোয়াটে হয়।
** শরীরের শক্তি কমে যায়- শরীরের কোষে প্রয়োজনীয় শক্তির শর্করা পৌছায় না, ফলে ক্লান্তি ও শক্তির অভাব দেখা দেয়।
** ফোসকা বা স্বাভাবিক ঘা- ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে ফোসকা বা স্বাভাবিক ঘা ভালো করা কঠিন হয় যায়।
ডায়াবেটিস রোগ হওয়ার কারণ
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কারণ রয়েছে। তবে, মুলত এই রোগটি মানুষের হরমোনাল ও জীবনযাত্রার বিষয়। নিম্নে ডায়াবেটিস রোগে আক্রন্তের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি কারণ আলোচনা করা হলো-
** জেনেটিক কারণ- ডায়াবেটিস ছড়িয়ে পড়তে পারে পরিবারের হেরিডিটির মাধ্যমে। সে কারণে যদি, আপনার পরিবারের কেই এই রোগে আক্রান্ত হন, তাহলে আপনি এই রোগের ঝুকিতে থাকতে পারেন।
** বয়স- বয়স বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কমে যেতে পারে শরীরের ইনস্যুলিন ব্যবহারের খমতা, বিশেষ করে ৪৫ বছরের বেশি বয়সের মানুষের মধ্যে ঝুকি বেশি থাকে টাইপ- ২ ডায়াবেটিসের।
** অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস- উচ্চমাত্রার শর্করা ও চর্বিযুক্ত খাবার অধিক পরিমণে খাওয়ার কারণে শরীরের বেড়ে যেতে পারে ইনস্যুলিন রেজিস্টান্স, যা কারণ হয়ে দাঁড়ায় ডায়াবেটিসের।
আরো পড়ুনঃ মেয়েদের বাঁধক রোগ কেন হয় - এর কারণ লক্ষণ চিকিৎসা ও প্রতিকার
** ওজন বেড়ে যাওয়া- অতিরিক্ত ওজন বা অস্বাস্থ্যকর মেদ ইনস্যুলিন ব্যবহারের ক্ষমতা শরীরের কমে দেয় এবং সম্ভাবনা বেড়ে যায় টাইপ- ২ ডায়াবেটিস হওয়ার।
** পিসিওএস বা আলপেটাইড লিভার ডিজিজ- পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রেম (PCOS) বা ফ্যাটি লিভার ঝুকি বাড়ায় ডায়াবেটিসের।
** উচ্চ রক্তচাপ এবং আলসারের সমস্যা- উচ্চ রক্তচাপ এবং আলসারের সমস্যা যাদের রয়েছে, তাদের ডায়াবেটিসের ঝুকি বাড়ে।
** জেনেটিক কারণ- ডায়াবেটিস ছড়িয়ে পড়তে পারে পরিবারের হেরিডিটির মাধ্যমে। সে কারণে যদি, আপনার পরিবারের কেই এই রোগে আক্রান্ত হন, তাহলে আপনি এই রোগের ঝুকিতে থাকতে পারেন।
** বয়স- বয়স বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কমে যেতে পারে শরীরের ইনস্যুলিন ব্যবহারের খমতা, বিশেষ করে ৪৫ বছরের বেশি বয়সের মানুষের মধ্যে ঝুকি বেশি থাকে টাইপ- ২ ডায়াবেটিসের।
** অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস- উচ্চমাত্রার শর্করা ও চর্বিযুক্ত খাবার অধিক পরিমণে খাওয়ার কারণে শরীরের বেড়ে যেতে পারে ইনস্যুলিন রেজিস্টান্স, যা কারণ হয়ে দাঁড়ায় ডায়াবেটিসের।
আরো পড়ুনঃ মেয়েদের বাঁধক রোগ কেন হয় - এর কারণ লক্ষণ চিকিৎসা ও প্রতিকার
** ওজন বেড়ে যাওয়া- অতিরিক্ত ওজন বা অস্বাস্থ্যকর মেদ ইনস্যুলিন ব্যবহারের ক্ষমতা শরীরের কমে দেয় এবং সম্ভাবনা বেড়ে যায় টাইপ- ২ ডায়াবেটিস হওয়ার।
** পিসিওএস বা আলপেটাইড লিভার ডিজিজ- পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রেম (PCOS) বা ফ্যাটি লিভার ঝুকি বাড়ায় ডায়াবেটিসের।
** উচ্চ রক্তচাপ এবং আলসারের সমস্যা- উচ্চ রক্তচাপ এবং আলসারের সমস্যা যাদের রয়েছে, তাদের ডায়াবেটিসের ঝুকি বাড়ে।
ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধে ঘরোয়া উপায়
ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে, যা জীবনযাত্রার মান ঠিক রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হলো-
** সুসম খাদ্যাভাস- যে সকল খাদ্যে শর্করা কম রয়েছে কিন্তু সুষম, সে সকল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা। যেমন- শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, বাদাম, সম্পূর্ণ শস্য, মুরগিসহ কম চর্বির প্রোটিন খাওয়া উচিত। কারণ, এই সকল খাবার নিয়ন্ত্রণে রাখে শরীরের শর্করার পরিমাণ।
** আমলকি- আমলকীতে পাওয়া যায়, ভিটামিন "সি" এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা শরীরে ইনস্যুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং সাহায্য করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে। তাছাড়া, এগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।
** ঘরোয়া উপাদান আলসায়ান জুস- মেথি বীজের গুড়া ও এর চা পান করার কারণে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া, মেথীর বীজে পাওয়া যায় এক বিশেষ উপাদান যা, ইনস্যুলিনের কার্যকরীতা বাড়ায়।
** নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম- প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০/৪০ মিনিট হাটা, দৌড়ানো, যোগব্যায়ামন সাইক্লিন করতে পারলে, শরীরের ইনস্যুলিনের ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্ত শর্করার মাত্রা।
** অ্যাপেল সিডার ভিনেগার- একটি গবেষণয় মাধ্যমে যানা যায় যে, নিয়মিত অ্যাপেল সিডার ভিনেগার পান করার কারণে, টাইপ- ২ ডায়াবেটিসের রক্তের শর্করার স্তর কমাতে সাহায্য করতে পারে।
** মধু এবং দারুচিনি- শর্করার মাত্রে নিয়ন্ত্রণে রাখতে মধু ও দারুচিনি অত্যান্ত কার্যকর। এর জন্য প্রতিদিন সকালে এক কাপ চা মধু ও এক প্রিন্ট দারুচিনি পাউডার মিশিয়ে পান করতে পারেন।
** রসুনের ব্যবহার- শরীরে ইনস্যুলিনের কাজকে রসুন সক্রিয় করে এবং রক্তে শর্করার মাত্র কমায়। তাছাড়া, নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।
** তুলসী পাতা- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা রয়েছে তুলসী পাতার মধ্যে। এরজন্য প্রতিদিন সকালে তুলসী পাতার রস খেলে শরীরে ইনস্যুলিনের কার্যকরীতা বাড়াতে সাহায্য করে।
** শসা এবং টমেটো- শসা এবং টমেটোতে পাওয়া যায় বেশি ফাইবার এবং কম পরিমাণে শর্করা। যা সাহায্য করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে।
** সুসম খাদ্যাভাস- যে সকল খাদ্যে শর্করা কম রয়েছে কিন্তু সুষম, সে সকল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা। যেমন- শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, বাদাম, সম্পূর্ণ শস্য, মুরগিসহ কম চর্বির প্রোটিন খাওয়া উচিত। কারণ, এই সকল খাবার নিয়ন্ত্রণে রাখে শরীরের শর্করার পরিমাণ।
** আমলকি- আমলকীতে পাওয়া যায়, ভিটামিন "সি" এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা শরীরে ইনস্যুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং সাহায্য করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে। তাছাড়া, এগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।
** ঘরোয়া উপাদান আলসায়ান জুস- মেথি বীজের গুড়া ও এর চা পান করার কারণে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া, মেথীর বীজে পাওয়া যায় এক বিশেষ উপাদান যা, ইনস্যুলিনের কার্যকরীতা বাড়ায়।
** নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম- প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০/৪০ মিনিট হাটা, দৌড়ানো, যোগব্যায়ামন সাইক্লিন করতে পারলে, শরীরের ইনস্যুলিনের ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্ত শর্করার মাত্রা।
** অ্যাপেল সিডার ভিনেগার- একটি গবেষণয় মাধ্যমে যানা যায় যে, নিয়মিত অ্যাপেল সিডার ভিনেগার পান করার কারণে, টাইপ- ২ ডায়াবেটিসের রক্তের শর্করার স্তর কমাতে সাহায্য করতে পারে।
** মধু এবং দারুচিনি- শর্করার মাত্রে নিয়ন্ত্রণে রাখতে মধু ও দারুচিনি অত্যান্ত কার্যকর। এর জন্য প্রতিদিন সকালে এক কাপ চা মধু ও এক প্রিন্ট দারুচিনি পাউডার মিশিয়ে পান করতে পারেন।
** রসুনের ব্যবহার- শরীরে ইনস্যুলিনের কাজকে রসুন সক্রিয় করে এবং রক্তে শর্করার মাত্র কমায়। তাছাড়া, নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।
** তুলসী পাতা- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা রয়েছে তুলসী পাতার মধ্যে। এরজন্য প্রতিদিন সকালে তুলসী পাতার রস খেলে শরীরে ইনস্যুলিনের কার্যকরীতা বাড়াতে সাহায্য করে।
** শসা এবং টমেটো- শসা এবং টমেটোতে পাওয়া যায় বেশি ফাইবার এবং কম পরিমাণে শর্করা। যা সাহায্য করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে।
প্রাকৃতিকভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের উপায়- শেষকথা
ডায়াবেটিস বর্তমানে অন্যতম গুরুতর একটি স্বাস্থ্য সমস্যা, তবে সঠিক খাদ্যাভাস, স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে জীবনজাত্রা, নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি উপরের আলোচিত ঘরোয়া উপায়গুলো মেনে চললে, ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
তাছাড়া, যদি ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিতভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলেন এবং নিজ থেকে নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হন, তাহলে তারা সুস্থ্য এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।
প্রিয় পাঠক পাঠিকাগন, আমরা আশাকরি আপনারা যদি আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে পড়েন, তাহলে নিশ্চয় জেনে গেছেন, ডায়াবেটিস সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। যা, আপনাদের অনেক উপকারে আসবে বলে আমরা আশাবাদী।
আরো পড়ুনঃ হার্ট অ্যাটাকের ২০ টি লক্ষণ কারণ চিকিৎসা প্রতিকার
আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালোলাগে এবং উপকারী বলে মনে হয়, তাহলে এটি অন্যের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আরো নতুন নতুন তথ্য জানার জন্য আমাদের পরবর্তী আর্টিকেল পড়ুন এবং আমাদের সঙ্গে থাকুন, ধন্যবাদ।
তাছাড়া, যদি ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিতভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলেন এবং নিজ থেকে নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হন, তাহলে তারা সুস্থ্য এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।
প্রিয় পাঠক পাঠিকাগন, আমরা আশাকরি আপনারা যদি আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে পড়েন, তাহলে নিশ্চয় জেনে গেছেন, ডায়াবেটিস সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। যা, আপনাদের অনেক উপকারে আসবে বলে আমরা আশাবাদী।
আরো পড়ুনঃ হার্ট অ্যাটাকের ২০ টি লক্ষণ কারণ চিকিৎসা প্রতিকার
আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালোলাগে এবং উপকারী বলে মনে হয়, তাহলে এটি অন্যের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আরো নতুন নতুন তথ্য জানার জন্য আমাদের পরবর্তী আর্টিকেল পড়ুন এবং আমাদের সঙ্গে থাকুন, ধন্যবাদ।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url