নওগাঁ জেলার প্রাচীন ইতিহাস- নওগাঁ জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত হয়েছে?

আরো পড়ুনঃ জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে চেক করার নিয়ম 2023

নওগাঁ জেলা বাংলাদেশের মধ্যে ধান এবং আম উৎপাদনে বেশ পরিচিত এবং বিখ্যাত। তবে, শুধুমাত্র একটি জেলাকে এই টুকুর জন্য বিখ্যাত বলা সঠিক হবে না। তাই, আমাদের আরো জানতে হবে, নওগাঁ জেলা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

তাছাড়া, আপনি যদি নওগাঁ জেলা কিংবা বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই জানা উচিত দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জেলা সম্পর্কে। তবে, চিন্তার কোন কারণ নেই, আপনি আমাদের সঙ্গে থেকে আর্টিকেলটি মনোযোগের সঙ্গে পড়ুন।

তাহলে, আপনি যেনে যাবেন নওগাঁ জেলা সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তাহলে দেরি কেন, চলুন আমরা দেখে নেই, নওগাঁ জেলার প্রাচীন ইতিহাস এবং নওগাঁ জেলার বিখ্যাত সব তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে-

নওগাঁ জেলার ভৌগোলিক অবস্থান

বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা নওগাঁ জেলা, এটি দেশের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত। নওগাঁ জেলার উত্তরে জয়পুরহাট জেলা, দক্ষিণে রাজশাহী ও নাটোর জেলা, পূর্বে বগুড়া জেলা, পশ্চিমে চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা এবং উত্তর- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিম বঙ্গ।

নওগাঁ জেলা অবস্থিত ২৪.৮৩° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.২৭° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। জেলাটি সমতল ভূমিতে অবস্থিত এবং বিভিন্ন নদ- নদী দ্বারা বেস্টিত হওয়ার কারণে, কৃষি কাজের জন্য অত্যান্ত উপযোগী একটি জেলা।

নওগাঁ জেলার প্রাচীন ইতিহাস

বাংলাদেশের উত্তর- পশ্চিমে অবস্থিত এই জেলাটি একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জনপদ, এই জেলার ইতিহাস বহু প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ। জেলায় প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং ঐতিহাসিক বিভিন্ন সুত্র মতে, এই অঞ্চলে মানুষের বসবাস প্রাগৈতিহাসিক আমল থেকেই উপযোগী ছিল।

মৌর্য, গুপ্ত, পাল এবং সেন রাজবংশের শাসনকাল থেকেই নওগাঁর বিভিন্ন এলাকা ছিল প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। নওগাঁ জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হলো পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, যা ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে।

এই বিহারটি মহাবিহার হিসাবে প্রসিদ্ধ লাভ করে পাল রাজাদের শাসনামলে। খ্রিস্টপূর্ব শতক থেকেই এই অঞ্চলে মিলন ঘটে ছিল আর্য, দ্রাবিড় এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর। এই অঞ্চল মুসলিম শাসকদের অধীনে আসে মধ্যযুগে, বিশেষ করে এটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল সুলতানি এবং মোগল আমলে।

হযরত শাহ সুলতান বলখি (রঃ) বা মাহিসওয়ার, হযরত শাহ্‌ নকশবন্দসহ বিভিন্ন সুফি দরবেশের পদাচারনায় জেলাটি ইসলাম প্রচারের কেন্দ্র হয়ে উঠে। পরবর্তী সময়ে ইংরেজদের শাসনামলে কৃষি এবং বাণিজ্যের জন্য নওগাঁ অঞ্চল পরিচিত হয়ে উঠে।

নওগাঁর সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, মৃৎশিল্প, লোকসংস্কৃতি এবং সে সময়ের ঐতিহাসিক স্থানগুলো আজও নওগাঁ জেলার গৌরবময় অতীত ইতিহাসকে বহন করে চলেছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

নওগাঁ জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান

বাংলাদেশের অন্যতম একটি জেলা নওগাঁ, এই জেলাটি সমৃদ্ধ রয়েছে ঐতিহ্যবাহী এবং প্রাচীন ইতিহাসের জন্য। এই জেলায় রয়েছে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান, যা দেশের ইতিহাস, প্রকৃতি এবং সংস্কৃতির অনন্য সমাহার ঘটিয়েছে। নিম্নে নওগাঁ জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ১০ দর্শনীয় স্থানের তালিকা দেখুন- 

  • পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার- গুপ্ত ও পাল যুগের অন্যতম নিদর্শন, যা বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ।
  • আলতাদীঘি জাতীয় উদ্যান- বন্যপ্রাণী এবং প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যপূর্ণ এলাকা।
  • কুসুম্বা মসজিদ- সুলতানি আমলের শৈল্পিক সৌন্দর্যের এক অনন্য নিদর্শন।
  • রাণী ভবানীর রাজবাড়ি- ইতিহাসের সাক্ষী এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ী।
  • নন্দকুজা দীঘি- একটি ঐতিহাসিক দীঘি, যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
  • ধামইরহাট শালবন- প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এক বনভূমি।
  • সোমপুর বৌদ্ধ বিহার- বৌদ্ধ স্থাপত্যের প্রাচীন নিদর্শন।
  • দিবর দীঘি- রাজা দিবরের স্মৃতিচিহ্ন ঐতিহাসিক দীঘি।
  • জগদল মহাবিহার- পাল আমলের বৌদ্ধ শিক্ষা কেন্দ্র।
  • সাপাহার আম বাগান- আমের জন্য বিখ্যাত এলাকা, যা এখন পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় স্থান

নওগাঁ জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি

নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণ করেছেন, অনেক বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় ব্যক্তি। যারা বিভিন্ন সময় দেশ ও জাতীর জন্য বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছে। নিম্নে নওগাঁ জেলার কয়েকজন বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি  সম্পর্কে দেখুন-

  • আব্দুল জলিল- রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী এবং সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
  • মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার।
  • আক্তার হামিদ সিদ্দিকী- জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার।
  • ফরিদ আহম্মেদ জেমস- বাংলাদেশের জনপ্রিয় রক সঙ্গীত শিল্পী।
  • মহসীন-উল হাকিম- বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক।
  • অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়- খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ।
  • মতিন রহমান- বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক।
  • চিকন আলী- জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা।
  • তামিম হোসেন- বিখ্যাত কবি।

নওগাঁ জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় খাবার

নওগাঁ জেলার প্রাচীন ইতিহাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, এই জেলায় রয়েছে বেশ কিছু জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত খাবার। খাবারগুলো নওগাঁ জেলা তথা উত্তর বঙ্গ এমনকি দেশের বিভিন্ন মানুষের কাছে বেশ পরিচিত ও এই সকল খাবার খেতে অনেকে ছুটে আসেন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। নিম্নে কয়েকটির তালিকা দেখুন-

** প্যাড়া সন্দেশ- এটি নওগাঁ জেলার অত্যান্ত জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত খাবার, যা তৈরী করতে ব্যবহার করা হয়, দুধের ক্ষীর। এক সময় এটি তৈরী করা হতো ঈদ, পূজা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে, কিন্তু বর্তমানে এটি এতই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে, এটি বিভিন্ন দেশেও জনপ্রিয়  হয়ে উঠেছে।

** পান্তা ভাতের সঙ্গে আলু ভর্তা- নওগাঁ জেলার অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে, আর গ্রাম বাংলার সকালের জনপ্রিয় খাবার পান্তা ভাতের সঙ্গে আলুর ভর্তা। এই খাবারটি সহজে যেমন হজম করা যায়, তেমনি গরমের দিনে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

** পাটালি গুড় ও চিতই পিঠা- শীতকালে নওগাঁ জেলার গ্রামের মানুষের অত্যান্ত জনপ্রিয় খাবার খেজুর গুড় এবং চিতই পিঠা। এই খাবারটি শীতের মৌসুমে শরীর গরম রাখার পাশাপাশি শক্তি যোগায়।

** সর্ষে ইলিশ- নওগাঁ জেলার অন্যতম বিখ্যাত খাবার সর্ষে ইলিশ। ইলিশ মাছের সঙ্গে সর্ষের মসল্লায় রান্না করা খাবার অত্যান্ত সুস্বাদু, যা জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী খাবার।

** খীরমোহন- নওগাঁর অন্যতম একটি বিখ্যাত খাবার এই মিস্টি, যার বিশেষ স্বাদ এবং টেক্সচারের জন্য নওগাঁ জেলা তথা দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের জনপ্রিয় খাবার।

এছাড়াও, গ্রাম প্রধান নওগাঁ জেলার বিভিন্ন গ্রামীন এলাকায় তৈরী করা হয়, (বিশেষ করে শীতের মৌসুমে) বিভিন্ন ধরণের পিঠা এবং মাছের মজাদার ও জনপ্রিয় খাবার। এই খাবারগুলো এই জেলার প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ হিসাবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসছে।

ধান উৎপাদনে নওগাঁ জেলা

ধান উৎপাদনে নওগাঁ জেলা দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয়। এই জেলায় প্রতি বছর প্রায় ১৬.৫৬ লাখ টন বিভিন্ন যাতের চাল উৎপাদিত হয়, যেখানে জেলার স্থানীয় চাহিদা প্রায় ৪.৪৯ লাখ টন। ফলে অতিরিক্ত চাল দেশের অন্যান্য জেলার সরবরাহ কর হয় এবং এর বাজার মূল্য প্রায় ৫৪০০ কোটি টাকা।

নওগাঁ জেলায় মোট আবাদী জমির পরিমাণ প্রায় ২.৬৪ লাখ হেক্টর, তাঁর মধেয় ধান চাষ হয় প্রায় ১.৯৬ লাখ হেক্টর জমিতে। এই জমিতে তিনটি মৌসুমে (আমন, আউশ, বোরো) ধানের আবাদ হয়ে থাকে, যেখানে বছরে মোট বিস্তৃত থাকে প্রায় ৪.৪৪ লাখ হেক্টর জমিতে।

আমন মৌসুমে ধানের আবাদ হয় প্রায় ২ লাখ হেক্টর জমিতে, তাঁর মধ্যে উচ্চফলনশীল জাত প্রায় ১.৭৫ লাখ হেক্টর এবং বাঁকি জমিতে ধানের আবাদ হয় সুগন্ধি এবং চিনিগুড়া ধানের মতো চিকন জাতীয় ধান।

আম চাষে নওগাঁ জেলা বিখ্যাত

বর্তমান সময়ে আম উৎপাদনে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অঞ্চল এই জেলা। গত ২০২৪ সালে আম উৎপাদিত হয়েছিল প্রায় ৪ লক্ষ ৩১ হাজার ৫০০ টন, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণে। জেলার প্রধান আম উৎপাদনকারী এলাকা সাপাহার, পোরশা, পত্নীতলা এবং নিয়ামতপুর উল্লেখযোগ্য।

নওগাঁ জেলাতে বিভিন্ন যাতের আমের চাষ হয়ে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলির তালিকা নিম্নে উল্লেখ করা হলো-

  • আম্রপালি- প্রায় ১৮৪২০ হেক্টর জমিতে।
  • বারী ফোর- প্রায় ২৪০০ হেক্টর জমিতে।
  • শ্বিনা- প্রায় ২৬২৫ হেক্টর জমিতে।
  • ল্যাংড়া- প্রায় ১৬১৫ হেক্টর জমিতে।
  • ফজলী-প্রায় ১৪১০ হেক্টর জমিতে।
  • গোপালভোগ- প্রায় ৬১০ হেক্টর জমিতে।
বর্তমানে আম চাষিরা ব্যবহার করছেন আধুনিক চাষ পদ্ধতি, যার ফলে উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানীতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আম উৎপাদনের দিক দিয়ে বর্তমানে নওগাঁ জেলা এখন শীর্ষে অবস্থান করছে, যা চাপাইয়ের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে।

নওগাঁ জেলা টুপি রপ্তানীতে বিখ্যাত

বর্তমানে নওগাঁ জেলা বাংলাদেশের প্রধান টুপি রপ্তানীকারক এলাকা হিসাবে সুপরিচিত। জেলার নিয়ামতপুর, মহাদেবপুর নওগাঁ সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ৪০ হাজারের উপর নারী- পুরুষ টুপি তৈরির সঙ্গে বিভিন্নভাবে জড়িত।

নওগাঁ জেলার তৈরী টুপির চাহিদা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে, বিশেষ করে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ওমান, ইরাক, ইরান ইত্যাদি দেশে। এর মধ্যে বিখ্যাত টুপি যা "ওমানি টুপি" নামে পরিচিত, এই  চাহিদা সম্পন্ন টুপি এই জেলায় উৎপাদিত হয়। 

 এই কুঠির শিল্পের সঙ্গে প্রচুর গৃহিণী এবং খুদ্র উদ্যোক্তারা জড়িত, যা অর্থনীতিতে ব্যপক ভূমিকা পালন করছে। প্রতি বছর বিশেষ করে রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময় প্রায় ১৫ কোটি টাকার টুপি রপ্তানী হয় এবং এর মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভাব।

তবে, সরাসরি টুপি রপ্তানীর সুযোগ না থাকার কারণে, এই সকল ব্যবসায়ীরা টুপি পাইকারী বিক্রি করেন, ঢাকার ব্যবসায়ীদের কাছে, সেখান থেকে রপ্তানী করা হয়। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বলেন, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা পেলে নওগাঁর টুপি শিল্পের আরো উন্নতি হতো।

নওগাঁ জেলা বিখ্যাত হওয়ার কারণ- শেষকথা

নওগাঁ জেলা তাঁর সমৃদ্ধ প্রাচীন ইতিহাস, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ধান এবং আম উৎপাদনের জন্য দেশে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে। এখানকার ঐতিহাসিক স্থান, টুপি রপ্তানী শিল্প ও খাদ্য উৎপাদন গুরুত্বপূর্ণ। নওগাঁ জেলা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত, কৃষি, সংস্কৃতি এবং অর্থনীতির জন্য।

প্রিয় পাঠক পাঠিকাগণ, আমরা আশাকরি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে পেরেছি, "নওগাঁ জেলার প্রাচীন ইতিহাস- নওগাঁ জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত হয়েছে?" সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। যা, আপনাদের অনেক উপকারে আসবে বলে আমরা আশাবাদী।

আরো পড়ুনঃ সৌদি আরব ভিসার আপডেট তথ্য ২০২৫

আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালোলাগে ও উপকারী বলে মনে হয়, তাহলে এটি অন্যের সঙ্গে শেয়ার করবেন। আরো নতুন নতুন তথ্য যানার জন্য, আমাদের পরবর্তী আর্টিকেল পড়ুন এবং আমাদের সঙ্গে থাকুন, ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url